মাদরাসাতু ইত্তিহাদিল উলুম

হাজী মোখলেছ টাওয়ার, ১৫, ডিআইটি শিল্প প্লট, জুরাইন, শ্যামপুর, ঢাকা-১২০৪

সভাপতির বাণী

Education Seminer

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান

বি. এ. (অনার্স), এম.এ. (ডাবল), ঢাবি, এল.এল.বি প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, হেডওয়ে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ঢাকা। সাবেক প্রভাষক ও অধ্যাপক, হাজী শরীয়তুল্লাহ কলেজ, কাজী নোমান আহমেদ ডিগ্রি কলেজ, আবুজর গিফারী ডিগ্রি কলেজ

ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বাণী

মাওলানা মুহাম্মদ শামসুল আলম

বি. এ. (অনার্স), এম.এ, এম. এম

অধ্যক্ষের বাণী

মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল নোমান

বিএ (অনার্স), এমএ (মাস্টার্স) আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। দাওরায়ে হাদিস ও ইফতা, তাফসির, দারুল উলুম মইনুল ইসলাম হাটহাজারী। এমএম (কামিল), নোয়াখালী কারামাতিয়া কামিল মাদরাসা।

মাদরাসাতু ইত্তিহাদিল উলুমিয়ায় আপনাকে স্বাগতম

‘শিক্ষা’ মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। জ্ঞানকে আল্লাহ তায়ালা আলোর সাথে তুলনা করেছেন। সকালের সূর্যের আলো যেমনিভাবে রাতের অন্ধকার দূর করে দেয়, জ্ঞানও তেমনিভাবে মানুষের ভিতর থেকে সকল প্রকার কলুষতা, বর্বরতা, অমানবিকতা, জাহেলিয়াত প্রভৃতি মানবতা বিরোধী পশুত্ব দূর করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার। সেজন্য পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা জ্ঞানীদের মর্যাদা স্পষ্ট করে দিয়ে ইরশাদ করেন -” (হে রাসূল) আপনি বলুন, যারা জানে আর যারা জানেনা তারা কি সমান?” (সুরা যুমার, ৩৯:০৯)

পৃথিবীব্যাপী আজ নৈতিকতার চরম পদস্খলন দিনের আলোর মত পরিষ্কার। একজন মানুষের মধ্যে নৈতিকতা না থাকলে তাকে মানুষ বলা যায় না। নৈতিকতাহীন মানুষের আচরণ আর পশুর আচরণের মাঝে পার্থক্য থাকে না। ইসলামের জ্ঞান যার মধ্যে প্রবেশ করেছে সে-ই হয়েছে পরশ পাথর। এভাবে জাহিলিযুগের মানুষগুলোর মাঝে যখন ইসলামের সুমহান শিক্ষার বাস্তবায়ন ঘটেছিল তখনই তারা হয়ে উঠেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ।

ইসলামের এসব আদর্শের মূল ভাণ্ডার হলো ইলমে ওহি তথা কুরআন ও সুন্নাহর জ্ঞান। ওহির এই শিক্ষার সাথে যারা জড়িত তাঁরাই পৃথিবীতে উত্তম আদর্শের অধিকারী। মহানবী সা. ইরশাদ করেন – “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শেখায়। (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৫০২৭)।

 

IMPORTANT LINKS

Academic Calendar

Loading...
SunMonTueWedThuFriSat

Videos

আমাদের উদ্দেশ্য

  1. ঘুনে ধরা ও বহুধা বিভক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের নিমিত্তে দুনিয়ায় শান্তি ও পরকালীন মুক্তির পথে অগ্রসর হওয়া।
  2. এমন একটি শিক্ষায়তন গড়ে তোলা যেখানে শিক্ষার্থীরা সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে এবং এমনভাবে শিক্ষা লাভ করবে যেন তাঁরা ঐহিক, পারলৌকিক, প্রাকৃতিক এবং সামাজিক জ্ঞান-বিজ্ঞানকে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার, বিচার, গ্রহণ ও বর্জন করার ক্ষমতা অর্জন ক‡র।
  3. এমন ধরনের শিক্ষক তৈরী করা যারা সাহিত্য, শিল্পকলা, সমাজ বিজ্ঞান, বিজ্ঞান এবং অন্যান্য জ্ঞান বিজ্ঞানকে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে আয়ত্ত করার এবং শিক্ষার্থীদের সেই দৃষ্টিকোণ থেকে শিক্ষাদান করার পদ্ধতি অর্জন করবেন।
  4. শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের এই নতুন জ্ঞান অর্জন পদ্ধতি আয়ত্ত করার জন্য এমন একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা, যেখানে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের ভিত্তিমূলে চলমান ধর্ম-বিরোধী ভাবধারার স্থলে ইসলামি ভাব মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কাজ আঞ্জাম দিবে এবং সেই ভাবধারার ভিত্তিতে শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং পাঠসংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় বস্তু তৈরি করার পূর্ণ ব্যবস্থা করবে।
  5. এ জ্ঞান লাভের উদ্দেশ্যে মানুষকে সে পথে পরিচালিত করা, যে পথ অনুসরণ করে মানুষ আল্লাহ তায়ালার খলিফা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারে।
  6. আধুনিক বিশ্বের সকল প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নৈতিক অধঃপতনকে সামনে রেখে জ্ঞানের মূল উৎস কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক কর্মমূখী আধুনিক কারিকুলাম, সরকারি নীতিমালা অনুসরণ ও নিবিড় তত্ত্বাবধানের সমন্বয়ে দৈহিক, মানসিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সামাজিক ও আদর্শিক গুণাবলী সৃষ্টির মাধ্যমে মানবিক ও নৈতিক মূলবোধ সম্পন্ন দক্ষ মানবশক্তি তৈরি।

আমাদের লক্ষ্য

  1. শিক্ষার সকল স্তরে বৈষম্য দূরীকরণ এবং দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে দক্ষ, যোগ্য ও তাকওয়াবান জাতি গঠন করা।
  2. এই সুশিক্ষিত মানব সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন সাধন।
  3. বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে আদর্শ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা।
  4. সর্বোপরি বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ স. এর পদাঙ্ক অনুসরণের মাধ্যমে মহান রব্বুল আলামিন এর সন্তুষ্টি অর্জন।